আব্দুল মতলেব গোলদার - Abdul Motleb Golder
আব্দুল মতলেব গোলদার
আব্দুল মতলেব গোলদার বাংলাদের একজন সুপরিচিত গ্রাম্য কবি। যিনি তার অস্বাধারণ কবিতা ও ছোট গল্পের জন্য সুপরিচিত। আব্দুর মতলেব গোলদারের জন্ম খুলনা বিভাগের যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার আগরহাটি নামক গ্রামে। আব্দুল মতলেব গোলদার তার সাহিত্য জীবনে অসংখ্য ছোট গল্প, কবিতা, কয়েকটি হিন্দু ধর্মে কীর্তন গান, যাত্রা রচনা করেছেন।
আব্দুল মতলেব গোলদারের শিক্ষা জীবনঃ
আব্দুল মতলেব গোলদার তার শিক্ষাজীবন শুরু করেন মিকশিমিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। তিনি অত্র 15 নং মিকশিমিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১ম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। এরপর মিকশিমিল রুদাঘরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ষষ্ঠ থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। এর গুটুদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে। তারপর পারিবারিক সমস্যার কারণে তার শিক্ষা জীবন শেষ হয়।
মতলেব গোলদারের ব্যক্তিগত জীবন (Matleb Goldar's personal life) :
আব্দুল মতলেব গোলদার ব্যক্তিগত জীবনে অনেক সাধারণ ভাবে জীবন যাপন করে থাকেন।
মতলেব গোলদারের কর্মজীবন (Matleb Goldar's career) :
আব্দুল মতলেব গোলদার একজন রাজমিস্ত্রি হিসাবে তার কর্মজীবন অতিবাহিত করছেন।
আঃ মতলেব গোলদারের সাহিত্য জীবন (The literary life of A. Matleb Goldar) :
আব্দুল মতলেব গোলদার অনেক কম বয়স থেকে তার সাহিত্য জীবন শুরু করেছেন। আব্দুল মতলেব গোলদার অনেক গুলো সনেট কবিতা রচনা করেছেন। তিনি কবিতা ও সাহিত্য জীবনকে বেছে নেওয়ার জন্য পারিবারিক ও আর্থিক ভাবে ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। জানা যায়, তিনি পারিবারিক ভাবে সহযোগিতা পান নি। তিনি তার কবিতা ও সাহিত্যকে মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌছানোর জন্য বিভিন্ন প্রকাশক প্রতিষ্ঠানে কাছে গিয়েছিলেন কিন্তু তাকে যথেষ্ঠ প্রকার সাহায্য করা হয়নি।
আব্দুল মতলেব গোলদারের বর্তমান অবস্থাঃ (Current status of Abdul Matleb Goldar)
তিনি এখন বয়বৃদ্ধ। এখন তিনি তার একমাত্র জীবকা রাজমিস্ত্রির কাজ করতে অক্ষম। এখন তার সন্তান উপর নির্ভর করে জীবন যাপন করতে হচ্চে।
উপসংহার :
আব্দুল মতলেব গোলদার একজন অবহেলিত কবি ও সাহিত্যিক। আব্দুল মতলেব গোলদার একজন নির্মম অবহেলার স্বীকার প্রতিভাবন কবি। যিনি তার প্রতিভাকে সঠিক ভাবে প্রকাশ করতে পারছেন না।
আব্দুল মতলেব গোলদারের নিজের লেখা নিষ্ঠুর পৃথিবী-আমার জীবনী আত্মজীবনী নিম্নে প্রকাশ করা হলো :
ছোট বেলায় বোনের পালকি তে চড়ে বোনের শশুর বাড়িতে যাই। তারপর ঐ শিশুবেলায় বিবাহ দেয় তাহা আমি যানি না বা বুঝিনা। তারপর কোন সময় আমাকে ঐ বোনের বাড়িতে পড়তে যেতে হয়। তারপর আমাকে ঐ হালিমা নামে মেয়ে। মেয়েটা তার সাথে আমার বন্ধন হয়। আমি তাহা যানতাম না। কিন্তু ওর বাপ-মা যানতো বা আমার বড়ো বোন যানতো। মেয়েটাকে অনেক বুঝিয়ে বলে ছিল। তুমি কোন দিন পরিচয় দিবেন যে যানতে দিত না। লতা যানতো মিার স্বামি আমি আর আমি যানতো একটা পরের মেয়ে তাই কিচু বলতো না। একদি ওদের সাথে আমার বিবাহ হয় না। ......
.png)




কথোপকথনে যোগ দিন